শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৫

ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা) বলে সম্বোধন বিদাত নয় সুন্নাহ :-


ওহাবী/দেওবন্দী/পিকনিক পার্টি তাবলীগী সহ বাতিল ফির্কা গং অপপ্রচার করে ” নেদায়ে গাইরুল্লাহ” বা ইয়া নবী , ইয়া রসূল, ইয়া হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইত্যাদি বলে নাকি সম্মোধন করা যাবে না ।
আসুন আমরা তাদের মুরুব্বী দের কিতাব থেকে প্রমান করি সম্মোধন করা যাবে কিনা !!

(১) দেওবন্দী দের মহা গুরু
আশরাফ আলী থানবী তার ” নশরুত ত্বীব” কিতাবের শেষে ” শাম্মুত ত্বীব” নামক একটা কাব্য গ্রন্থ সংযোজন করেছে । সেখানে উল্লেখ আছে-

” হে মানব জাতির শাফায়াতকারী ! আপনি আমায় শাফায়াত করুন । সমস্ত বিপদ আপদে আপনি আমাদের সাহায্যকারী । “

দলীল-
√ নশরুত ত্বীব – শেষ পৃষ্ঠা ।

(২) দেওবন্দী দের গুরু রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী বলেছে-
” ওহে রসূলে কিবরিয়া ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আপনার কাছে আমার ফরিয়াদ ।” এ ধরনের বক্তব্য আল্লাহ পাক উনাকে অবহিত করেছেন এ ধারনার বশবর্তী হয়ে মনে মনে বা প্রকাশ্যে আন্তরিক মুহব্বতে পাঠ করা বৈধ।”

দলীল-
√ ফতোয়ায়ে রশিদীয়া ১ম খন্ড ৬৪ পৃষ্ঠা- কিতাবু খতরে ওয়াল ইবাহাত

(৩) আশরাফ আলী থানবী নিজের পীর সাহেব কে লক্ষ করে বলে-

” হে আমার পীর সাহেব! আপনার সীনা থেকে আমার সীনায় কিছু দান করুন ! “

দলীল-
√ বেহেস্তী জেওর ৯পৃষ্ঠা।

(৪) থানবী আরো লিখেছে–

” ইয়া বড় পীর সাহেব! আমাকে দয়া করুন বলে আবেদন করা জায়িয ।”

দলীল-
√ ফতোয়ায়ে আশরাফিয়া ১ম খন্ড ৬ পৃষ্ঠা ।

(৫) বাংলাদেশের অন্যতম দেওবন্দী মৃত আজিজুল হক তার বুখারী শরীফের অনুবাদে লিখেছে–

” হে দয়ার দরীয়া আল্লাহ পাক উনার হাবীব ! গোনাগার আজিজুল হকের প্রতি দয় করুন ।”

দলীল-
√ বুখারী অনুবাদ ৫ম খন্ড ১০ নং পৃষ্ঠা ।

প্রমান হলো দেওবন্দী দের মুরুব্বীরাই নেদায়ে গাইরুল্লাহ ব্যবহার করেছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Who was the Father of ibrahim? ইব্রাহীম (আ) এর পিতা কে ছিলেন?

The Prophet Ibrahim (may Allah’s peace and blessings descend upon our Prophet Muhammad and upon him and both their families) was the son of ...